1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
শুষ্ক মৌসুমে চায়না জালের ভয়াবহতা মনপুরায়! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

শুষ্ক মৌসুমে চায়না জালের ভয়াবহতা মনপুরায়!

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২৩৪ বার পঠিত
ভয়াবহতা

চায়না জালের কারণে বিপন্ন হচ্ছে মনপুরার নদীর মাছ, নদী কি হারাবে তার প্রাণ?

মনপুরার মেঘনা নদীর তীরে চায়না দুয়ারী বা চায়না চাই জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার চলছে ব্যাপকভাবে, যা দেশের জলজ জীববৈচিত্র্যকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে অসাধু মৎস্য ব্যবসায়ীরা মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। এতে শুধু দেশীয় মাছ নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীর পানির নিচে বাস করা উদ্ভিদ ও প্রাণী।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীর জনতা ঘাট এলাকায় একাধিক চায়না জাল বিছানো অবস্থায় রয়েছে। ১ মার্চ থেকে মৎস্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলেও, সেখানে অবাধে চলছে মাছ শিকার। ৪ নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন, ৩ নং উত্তর সাকুচিয়া, এবং হাজীরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানজুড়ে চলছে এই অবৈধ কার্যক্রম।

স্থানীয় জেলে বেলায়েত মাঝি (৪৫) বলেন, “আগে যেখানে ভোরবেলা মাছ ধরা হত, এখন সেখানে আর মাছ পাওয়া যায় না। জালের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে পোনা মাছসহ সব ধরনের প্রজাতি।” মনপুরার নদীগুলোতে প্রায় ৭ হাজার চায়না জাল রয়েছে এবং শুষ্ক মৌসুমে, চর জাগানো নদীতে চায়না জালের ব্যবহার বেড়ে গেছে।

এছাড়া, চায়না জাল ব্যবহারকারী মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, তারা এসব জাল স্থানীয় বাজারে মোবাইলের মাধ্যমে কিনে থাকেন। অভিযান চললেও, বেশিরভাগ জাল দালালদের মাধ্যমে ফিরে আসে।

মৎস্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, “মনপুরার মেঘনায় চায়না জাল ব্যবহার আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। তবে এই জালগুলি খাল-বিলে বেশি দেখা যায়, এখন আমরা এগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিবো।”

এখন প্রশ্ন উঠছে, অবৈধ চায়না জাল বন্ধ না হলে, আগামী প্রজন্ম কি দেশীয় মাছ খুঁজে পাবে?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..